মণিরামপুরে বুরো বাংলাদেশ এনজিওর দৌরাত্ম্যে দিশেহারা গ্রাহকরা

মণিরামপুরে বুরো বাংলাদেশ এনজিওর দৌরাত্ম্যে দিশেহারা গ্রাহকরা

ক্ষুদ্রঋণের নামে সাধারণ মানুষকে জালে ফাঁসিয়ে পরে তাদের উপর চালানো হচ্ছে অমানবিক চাপ, অপমান আর মানসিক নির্যাতন-এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীদের। ছবিঃ সংগৃহীত

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম

‎যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় BURO Bangladesh (বুরো বাংলাদেশ) এনজিওর বিরুদ্ধে উঠেছে ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক অভিযোগ। ক্ষুদ্রঋণের নামে সাধারণ মানুষকে জালে ফাঁসিয়ে পরে তাদের উপর চালানো হচ্ছে অমানবিক চাপ, অপমান আর মানসিক নির্যাতন-এমনটাই দাবি ভুক্তভোগীদের।

‎‎স্থানীয়দের অভিযোগ, কিস্তি পরিশোধে সামান্য দেরি হলেই শুরু হয় মাঠকর্মীদের দৌরাত্ম্য। বাড়িতে গিয়ে চড়া ভাষায় কথা বলা, পরিবার-পরিজনের সামনে অপদস্থ করা, এমনকি হুমকি-ধমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। অনেক পরিবার এই চাপ সহ্য করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

‎‎ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,‎“ঋণ দেওয়ার সময় মিষ্টি কথা, আর কিস্তির সময় যেন রূপ বদলে যায়! একটু দেরি হলেই অসম্মান, চাপ আর ভয় দেখানো-এটা কেমন সেবা?”

‎‎অভিযোগ উঠেছে, এনজিওটির কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে গ্রাহকদের জিম্মি করে রেখেছে। ফলে ঋণগ্রহীতারা একপ্রকার নিঃশব্দে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না।

‎‎এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলছে,‎“যেখানে উন্নয়নের কথা বলে এনজিও কাজ করার কথা, সেখানে যদি মানুষই হয় নির্যাতনের শিকার-তাহলে এটি ভয়ংকর প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।

‎‎এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে 'বুরো বাংলাদেশ' এর স্থানীয় শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।এখন প্রশ্ন একটাই-এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশাসন কবে জেগে উঠবে? নাকি ক্ষমতার ছত্রছায়ায় চলতেই থাকবে এই নিপীড়নের খেলা?