ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার, অভিযুক্তকে খুঁজছে প্রশাসন
অভিযুক্ত: সিসিটিভি ফুটেজ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক ছাত্রী শিমু (ছদ্মনাম) বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ করিডোরে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে। ভুক্তভোগী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
আজ বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তবে পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে খোঁজছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অভিযোগ পত্রে ভুক্তভোগী লিখেন, ভুক্তভোগী (শিমু) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১ম বর্ষের (২০২৪-২৫) একজন শিক্ষার্থী। আজ (১ জুলাই) বেলা ১১ ঘটিকা হতে ১১ টা ১৫ মিনিটের মধ্যে কলা অনুষদের ৫ম তলায় ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের করিডোরে আমার সাথে আপত্তিকর ও যৌন হয়রানির মতো একটি ঘটনা ঘটে। উল্লেখ, উক্ত লোকটিকে আমি ইতোপূর্বে দেখিনি। ঘটনাটি আমাকে মানসিকভাবে অত্যন্ত বিব্রত ও আতঙ্কিত করেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “পূর্বে কোনো দিন এরকম পরিস্থিতির শিকার হয়নি। তাকে সনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। যা ঘটেছে তা বলার মতো না।”
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “আমাদের কাছে অভিযোগ আসার সাথে সাথে প্রক্টরিয়ার টিম সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পলাতক অভিযুক্তকে সনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও প্রতিরোধ কমিটিকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে এরেস্ট করার জন্য থানায় চিঠি পাঠানো হচ্ছে।”
এবিষয়ে জানতে চাইলে যৌন হয়রানি ও প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রোকসানা বেগম মিলি জানান, “প্রক্টরিয়াল টিম কিছু ডকুমেন্টস সহ অবগত করেছে। শনিবার অফিস টাইমে এসে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। বিষয়টা সিরিয়াসলি নিচ্ছে প্রশাসন।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি শোনার পরপরই প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার অফিসকে বলে দিয়েছি। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।”
মো. মিনহাজুর রহমান মাহিম
আপনার মতামত লিখুন