১৮ দফা দাবি
ইবি উপাচার্যের সঙ্গে খেলাফত ছাত্র মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ইবি উপাচার্যকে ক্রেস্ট প্রদান করছে শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিসের প্রতিনিধি দল
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে শাখা বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।
মঙ্গলবার (১৯ মে) শাখার একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় শাখা সভাপতি জুনায়েদ খান নবনিযুক্ত উপাচার্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ১৮ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ সময় শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিসের সহ-সভাপতি নোমান হুসাইন, সাবেক সভাপতি সাদেক আহমেদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইকরামুল হক, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক রনি আহমাদ, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক জিহাদ হুসাইন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেদওয়ান হুসাইন, সদস্য ইব্রাহিম খলীল, মোহাম্মদ হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী-ও উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ‘সাজিদ আবদুল্লাহ’ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত সনাক্তকরণ ও সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিতে প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা, অনলাইন অভিযোগ ও ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু, শ্রেণিকক্ষ ও আবাসিক হলে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিতকরণ, সিট বণ্টনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা, সেমিস্টার ফি সহনীয় পর্যায়ে নির্ধারণ, সার্টিফিকেট সংশোধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, শিক্ষার্থীদের জমাকৃত রশিদ ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ, ‘আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’’ বিভাগে ৫০ শতাংশ মাদরাসা কোটা বহাল রাখা, মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক স্টাডিজ বাধ্যতামূলক ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য তা ঐচ্ছিক রাখা, পূর্ণাঙ্গ অনলাইন একাডেমিক সেবা চালু, পরিবহন সংকট নিরসন, নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, ভেঙে যাওয়া নিরাপত্তা প্রাচীর পুনর্নির্মাণ, কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পোস্টারমুক্ত রাখা।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি গুরুত্বারোপ করে একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রশাসন ইতিবাচকভাবে কাজ করবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
মো. মিনহাজুর রহমান মাহিম
আপনার মতামত লিখুন