উল্লাপাড়ায় খামার - গৃহস্থ বাড়ীতে কোরবানি ঈদ সামনে রেখে ষাঁড় গরু পালন
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে খামার ও গৃহস্থ বাড়ীতে ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে। এখন দিন যেতেই খাদ্যের যোগান বাড়ানো হচ্ছে। উল্লাপাড়ার এবারেও কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে খামার ও গৃহস্থ পরিবারগুলোয় বহু সংখ্যক ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে ৷ গো খামারি ও গৃহস্থরা
উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিগত বছরগুলোর মতো এবারেও গৃহস্থ পরিবারে ও গোখামারগুলোয় বহু সংখ্যক বড় ছোটো ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে ৷ উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়ন, সলপ দুর্গানগর, মোহনপুর ,, পূর্ণিমাগাঁতী, , কয়ড়াসহ আরো কটি ইউনিয়নের গ্রামগুলোয় অনেক গৃহস্থ পরিবারে বড় ছোটো ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে। বেশীর ভাগই দেশীয় জাতের ষাঁড় গরু বলে জানা গেছে। কোরবানী ঈদের আর মাস দেড়েক বাকী আছে ৷ গো খামারি ও গৃহস্থদের সাথে কথা বলে জানা গেছে মাস আড়াই আগে থেকেই খামার ও গৃহস্থ পরিবারগুলোয় পালিত গরুগুলোকে সব ধরণের খাদ্যের যোগান দিন যেতেই বাড়ানো হতে থাকে। আর ঈদের মাস খানেক থাকতে পুরোদমে খাদ্যের যোগান দেওয়া হয়। তবে অনেকেই এখনি পুরোদমে খাদ্যের যোগান দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। কোরবানি ঈদ সামনে রেখে লালন পালন করা ষাঁড় গরু মোটা তাজাকরণে গম ভূষি , ছোলা , খেসারী ও মসুর ভূষি খাওয়ানো হচ্ছে। অনেক খামারি ও গৃহস্থ বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরী ফিড খাওয়াচ্ছেন বলে জানা গেছে।
উল্লাপাড়া গ্যাস লাইন হাট এলাকায় এখন বড় ছোটো গোটা চারেক গোখামার আছে ৷ এখানকার খামারগুলোয় কোরবানি ঈদ সামনে রেখে ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে । এখানকার খামারগুলোয় কম দিন ষাঁড় গরুগুলো লালন পালন করা হয় । উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামের বেশ কয়েকটি গোখামার আছে।
সরেজমিনে গ্যাস লাইন হাটের একাধিক খামারে গিয়ে দেখা গেছে পালিত ষাঁড় গরুগুলো সবই দেশীয় জাতের ৷ কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে পালিত গরুগুলোকে খাদ্যের যোগান দিন যেতেই বাড়ানো হচ্ছে বলে জানানো হয় ৷ উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামে তিনটি গোখামারে ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে । এছাড়া গৃহস্থ পরিবারের বেশ কজন অন্য পেশার পাশাপাশি কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ষাঁড় গরু লালন পালন করছেন ৷ নাগরৌহা গ্রামের রুহুল মিয়ার খামারে বড় ছোটো মিলে আটটি , রহিম প্রামাণিকের খামারে ছয়টি , শফিকুল ইসলাম বড় ছোটো মিলে পাচটি ষাঁড় গরু লালন পালন করছেন। প্রতিবেদককে বেশ কয়েকজন খামারি ও গৃহস্থ পরিবার থেকে জানানো হয় কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ষাঁড় গরুগুলো লালন পালনে এবারে খরচ অনেক বেশী পড়ছে ৷
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকতা ডা. শেখএম এ মতিন জানান এবারে খামার ও গৃহস্থ পরিবারগুলোয় অনেক বেশী সংখ্যক ষাঁড় গরু লালন পালন করা হচ্ছে । গোটা উপজেলায় কোরবানি ঈদ সামনে রেখে পালিত ষাঁড় গরু সংখ্যা জরিপ করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন