প্রভাবশালী রাজনৈতিক বেক্তিদের ছত্র ছায়ায় বনদস্যুদের টোকেন বিক্রয়ের অভিযোগ জেলেদের
বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলীয় জেলা খুলনা- জেলার কয়রা উপজেলায় প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি দরিদ্র জনগোষ্ঠী সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল তাদের পারিবারিক, সাংসারিক অর্থ নৈতিক অবস্থার একমাত্র ভরসা সুন্দরবন।
গত ৫ ই আগস্ট ২০২৪ইং আওয়ামী সরকার পতনের পার থেকে সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বেড়ে গেছে।
প্রতিনিয়ত মাছ,কাঁকড়া, মধু আহরণের জন্য বনে ঢুকলে উৎপেতে থাকা বনদস্যু বাহিনী জেলেদের কে জিম্মি করে ৫ হাজার, ১০ হাজার ২০ হাজার ৫০ হাজার ১ লাখ টাকার মুক্তিপন দাবি করে বনদস্যু বাহিনীরা পরিবারের কাছে তাদের কে উদ্ধার করতে পরিবারের অন্য সদস্যরা ধার দেনা করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়রা সদরের এক কাঁকড়া ধরা জেলে বলেন বিগত কয়েক বছর পূর্বে সুন্দরবনে রাজু বাহিনী, মাষ্টার বাহিনী, ও ইলিয়াস বাহিনী এক সময় ত্রাস সৃষ্টি করে জেলেদের কাছ থেকে মুক্তিপন আদায় করত।
সেই সময় সরকার ঘষিত আত্মসমর্পণের আওতায় বনদস্যু( ডাকাত) বাহিনীকে এনে সুন্দরবন কে দস্যু মুক্ত করা হয়। সম্প্রতি সময় এসে নতুন করে আবারও বনে ডাকাতের তৎপরতা বেড়ে গেছে। সুন্দরবনে এখন জেতে গেলে কিছু সংখ্যাক মাছ ও কাঁকড়া ব্যবসাহি আছে তাদের মধ্যমে বনদস্যু দুলাভাই বাহিনী, জাহাঙ্গীর বাহিনী, করিম শরিফ বাহিনীর টোকেন নিয়ে বনে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
তাদের কাছ থেকে টোকেন না নিয়ে বনে প্রবেশ করলে বনদস্যুরা আমাদের কে জিম্মি করে অমানবিক নির্যাতন করছে। এদিকে বর্তমান সময়ে জেলে মৌয়ালীরা মাছ কাঁকড়া মধু সংগ্রহ করতে গেলে বনদস্যু বাহিনী তাদের কে অপহরণ করে পারিবার ও সুন্দরবন উপকূল এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক জেলে বলেন বনদস্যু( ডাকাত) বাহিনীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিলে আমাদের কে প্রাণ নাশের হুমকি বনে প্রবেশ না করতে বলা হয়। খবর নিয়ে জানা গেছে কয়রা উপজেলায় প্রায় ১২ জন বেক্তি আছে তাঁরা বনদস্যুদের টোকন বিক্রয়ের সাথে সম্পৃক্ত।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে তাঁরা কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে যুক্ত হয়ে বনদস্যুদের টোকন বিক্রয় করত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর ঠিক একি কাজ বর্তমান সময়ে এসে তাঁরা করছে রাজনৈতিক প্রভাব শালী বেক্তি দের ছত্র ছায়ায় করছে।
কয়রা উপজেলার সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের নেতারা বলেন সুন্দরবন কে দস্যু মুক্ত করতে হলে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে করতে হবে।
আর জারা বনদস্যুদের টোকন বিক্রয় এর সাথে জড়িত তাদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেও বন দস্যু নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছেনা। একটি সুন্দর নিরাপদ সুন্দরবনের দাবি সুন্দরবন উপকূল অঞ্চলের জেলেদের দাবি।
আপনার মতামত লিখুন