সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল
পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যাসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন।
একবিংশ শতাব্দীর এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকা এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের রত্নগর্ভা মাতা বেগম জেবুন্নেছা আর নেই। আজ বুধবার (৬ মে) ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যাসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গন ও শিক্ষকমহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
১৯৪৪ সালে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে বেগম জেবুন্নেছা জন্মগ্রহণ করেন। আজীবন জ্ঞানের আলো বিলিয়ে দেওয়ার ব্রত নিয়ে তিনি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। তার আদর্শিক জীবন ও কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ তার সন্তানরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। বিশেষ করে তার বড় ছেলে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
মরহুমার পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ আসর নামাজের পর ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে ময়মনসিংহের গুলকিবাড়ি কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানে তার স্বামী মরহুম জাফর আলী সরকারের কবরের পাশেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে রাজধানীর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহের পৈতৃক নিবাসে ভিড় করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তার মৃত্যুতে ময়মনসিংহের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
আপনার মতামত লিখুন