ঠাকুরগাঁওয়ে খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক রফিকুল হক।
এ সময় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ যৌথভাবে সরকারের জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে এ উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করছে।
বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে এক আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক রফিকুল হক বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর যত্ন নেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাাড়তে হবে।
এসময় অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বলেন, সবুজ বাংলাদেশ গড়তে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, সেগুলোর টেকসই রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সরদার মোস্তফা শাহীন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন তাজু, খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষিকা আসমা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপির মৎস্যজীবি বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, আউলিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক মামুনুর রশিদ মামুন, শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিয়াম।
উল্লেখ্য, দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে প্রতিটি শিশুকে প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ কর্মসূচি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মামুনুর রশিদ মামুন
আপনার মতামত লিখুন