সরকারি ভাড়া মানছে না হাতিয়া-চেয়ারম্যান ঘাটের স্পিডবোট
চেয়ারম্যান ঘাট নৌরুটে সরকার নির্ধারিত ভাড়া উপেক্ষা করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্পিডবোট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সরকারিভাবে জনপ্রতি ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে ২৫ টাকা বৃদ্ধি করে ৩২৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে অনেক স্পিডবোটে এখনো যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ রুটের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। কিন্তু সেই নির্দেশনা কার্যকর না হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক ক্ষেত্রে স্পিডবোট সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি “এসব বলে লাভ নেই” বলে যাত্রীদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিদিন এই নৌরুটে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী জানান, সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর না থাকায় তারা একপ্রকার জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে স্পিডবোট কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন মহল ও যাত্রীরা উপজেলা প্রশাসন হাতিয়ার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত তদারকি জোরদার করে সরকার নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়ন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সাধারণ যাত্রীরা বলছেন, যাত্রীস্বার্থ রক্ষা ও নির্বিঘ্ন নৌযাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
মহব্বত আল ইমরান
আপনার মতামত লিখুন