মানবিকতার উজ্জ্বল প্রতীক ইউএনও সম্রাট হোসেন: ক্যানসারযোদ্ধা মেধাবী মিলির পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন
মানবিকতা আজও বেঁচে আছে-আর তার জীবন্ত প্রমাণ যশোরের মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: সম্রাট হোসেন। দায়িত্বের গণ্ডি পেরিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে বিরল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার ঊর্ধ্বে।
হাজরাকাটি গ্রামের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী মিলি দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছে। অর্থের অভাবে যখন তার চিকিৎসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম, ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে আশার আলো হয়ে এগিয়ে আসেন ইউএনও মো:সম্রাট হোসেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) তিনি নিজ উদ্যোগে মিলির খোঁজখবর নেন এবং তার উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। শুধু সহায়তা দিয়েই থেমে থাকেননি-তিনি পরিবারটিকে সাহস, প্রেরণা ও মানবিক আশ্বাসে ভরিয়ে দেন।
ইউএনও সম্রাট হোসেন বলেন, “মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত দায়িত্ব। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সমাজের বিত্তবানদেরও এখনই এগিয়ে আসা উচিত।”স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমান সময়ে যেখানে অনেকেই দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন, সেখানে মো: সম্রাট হোসেনের মতো একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই উদ্যোগ শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সচেতন মহল মনে করছেন, এমন জনবান্ধব, সহানুভূতিশীল ও মানবিক কর্মকর্তার উপস্থিতিই প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়। মিলির পরিবার কৃতজ্ঞতায় অভিভূত হয়ে ইউএনও’র জন্য দোয়া কামনা করেছেন এবং সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা চেয়েছেন। মানবিকতার এই উজ্জ্বল অধ্যায় যেন অনুপ্রেরণা হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র-এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।
সাব্বির হাসান
আপনার মতামত লিখুন