শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
পূর্বাচলে ভয়াবহ জালিয়াতি: জবাই করা ৯টি ও ১১টি জ্যান্ত ঘোড়া জব্দ

পূর্বাচলে ভয়াবহ জালিয়াতি: জবাই করা ৯টি ও ১১টি জ্যান্ত ঘোড়া জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাধারণ মানুষের সাথে চরম প্রতারণা ও জনস্বাস্থ্যের তোয়াক্কা না করে গরুর মাংস হিসেবে ঘোড়ার মাংস বিক্রির এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ফাঁস হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকার একটি নির্জন প্লট থেকে ৯টি জবাই করা এবং ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, একদল অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে পূর্বাচলের নির্জন স্থানে ঘোড়া জবাই করে আসছিল। পরে সেই মাংস ‘কম দামে গরুর মাংস’ বলে উপজেলার বিভিন্ন মাংসের দোকান ও পূর্বাচল উপশহরের রেস্তোরাঁগুলোতে সরবরাহ করা হতো। না বুঝে সাধারণ ক্রেতারা উচ্চমূল্যে গরুর মাংস মনে করেই এই ঘোড়ার মাংস কিনে খাচ্ছিলেন।

পূর্বাচল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানান, শুক্রবার ভোরে ওই এলাকার একটি প্লটে ২০টি ঘোড়া জবাই করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা ৯টি ঘোড়া ইতোমধ্যে জবাই করে ফেলেছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

 খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালালে কৌশলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ঘোড়াগুলো ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ সেখান থেকে জবাই করা ৯টি ঘোড়ার দেহ এবং জবাইয়ের অপেক্ষায় থাকা আরও ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, অসাধু চক্রটি রাতের আঁধারে নির্জন স্থানে এই কাজগুলো সারত এবং সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে ঘোড়ার মাংস বাজারে ছড়িয়ে দিত। এই চক্রের সাথে জড়িতদের ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন