শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও  টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

শাহীন আহমেদ

কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের দুর্গাপুর কামাল খামার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত আলীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় ফাজিল পরীক্ষার ফরম পূরণের ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা ও তার ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল ফোন  ও কিছু গুরুত্বপুন কাগজপত্র ছিনিয়ে  নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৮ জুন দুপুরে মাদ্রাসায় ফাজিল প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কার্যক্রম চলছিল। এ সময় অধ্যক্ষ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় শামসুল, মনজুরুল ইসলাম মিন্টু, আবুল কালাম কাওসার, রোমান, রেদওয়ান ও নাজমুলসহ কয়েকজন ব্যক্তি অতর্কিতভাবে তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তারা টাকার দাবি করে অধ্যক্ষকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা ফরম পূরণের ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং টেবিলের উপর থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র  ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সময় অত্র মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক  নোমান মিয়া জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে উলিপুর থানা পুলিশের সাত সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে।

পরে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ বিষয়ে অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক ওবায়দুল হক এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি আমার মাদ্রাসায় ছিলাম, ঘটনা জানতে পেরে দ্রুত আমি থানার ওসিকে বিষয়টি অবগত করলে ওসি সাহেব লোক পাঠিয়েছেন বলে আমাকে জানান। এবং আমি  ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি পুলিশ এসে অধ্যক কে উদ্ধার করে দুর্গাপুরে নিয়ে গেছেন। পরে আমি সেখানে গিয়ে দেখতে পাই তিনি হামলার শিকার হয়ে ভীষণ অসুস্থ। আমি তখন তাকে সাথে নিয়ে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করাই, বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদ ইবনে সিদ্দিক এর সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনা জানতে পেরে  পুলিশ সেখানে গিয়ে অধ্যক কে উদ্ধার করে  এবং থানায় এসে অভিযোগ দাখিল করতে বলে, কিন্ত তিনি থানায় এখনো আসেন নাই এবং কোন অভিযোগ দাখিল করেননি। অভিযোগ পেলে আইন গত ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন