শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের  বিভাজনের গাছ কেটে নিয়ে  যাচছ  সংঘবদ্ধ চোর চক্র

ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের বিভাজনের গাছ কেটে নিয়ে যাচছ সংঘবদ্ধ চোর চক্র

জহিরুল ইসলাম সুমন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজনের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোরচক্র। মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সামুকসার এলাকায় গাছ কাটার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বইছে। বৃহস্পতিবার সরেজমিন পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে। 

সওজ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের শামুকসার থেকে দত্তসার এলাকা পর্যন্ত গাছগাছালি তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কুমিল্লা সড়ক উপ-বিভাগের কার্য সহকারী মোঃ মোবারক হোসেন ভুঁইয়া। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেন উন্নতি করার সময় এক লেনের গাড়ির হেডলাইটের আলো যাতে বিপরীত লেনের গাড়ির সামনে পড়ে দূর্ঘটনা না ঘটে এবং মহাসড়কের সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য সওজ মহাসড়কের বিভাজনের মাঝে হরেক রকমের ফুল ও ফল গাছ রোপন করে। গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; হৈমন্তি, কুর্চি, টগর, রাধাঁচুড়া, কাঞ্চন, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, কদম, বকুল, পলাশ, কবরী, কেসিয়া ও জারুল। মোবারক হোসেন ভুঁইয়া প্রতিদিনের ন্যায় গত সোমবার বিভিন্ন গাছগাছালি তদারকি শেষে রাতে শামুকসার এলাকার মহাসড়কের অংশ এবং বিভাজনের মধ্যে থাকা বিভিন্ন গাছগাছালি অক্ষত অবস্থায় দেখে চলে যায়। পরবর্তীতে সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ চাকমা সোমবার বেলা পৌনে এরগারটায় মুঠোফোনে জানায়, শামুকসার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজনের মধ্যে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির ২০-২৫টি গাছ কে বা কারা কেটে নিয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কুমিল্লা সড়ক উপ-বিভাগের কার্য সহকারী মোবারক হোসেন ভুঁইয়া। তবে অনেকে বলছেন, পাশে থাকা সাইনবোর্ড ঠিকভাবে দেখা না যাওয়ায় কোম্পানীর লোকজন গাছ কেটেছে।

পাশ্ববর্তী জোড়কানন বাংলোর কেয়ারটেকার ফিরোজ মিয়া, পথচারী আবুল মিয়া, কৃষক সুরুজ আলীসহ কয়েকজন বলেন, মহাসড়কের পাশের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি মহাসড়কের দুইপাশ ও বিভাজনের গাছগুলো ভোর বেলায় কেটে নিয়ে যাচ্ছে। মহাসড়কের গাছ রক্ষায় সওজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে আরো সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে।  

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, মহাসড়ক বিভাজনের গাছ কেটে নেয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত দূস্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন