রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাকিবকে মারধর করে রক্তাক্ত করার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। একটি প্রেমঘটিত বিষয় মীমাংসার জন্য থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে রাকিবকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত এসআই মাসুদ রানা, ডিউটি অফিসার মেহেরুন নেছা এবং কনস্টেবল লীমা সরেনকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত কমিশনার নরেশ চন্দ্র চাকমার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকারিয়া ইসলাম জীম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "পুলিশের পোশাক বদলালেও তাদের চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি।"