শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের নিচের অবৈধ পাইপ তিন দিনের আল্টিমেটামে উচ্ছেদ হয়নি

কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের নিচের অবৈধ পাইপ তিন দিনের আল্টিমেটামে উচ্ছেদ হয়নি

মো.রউফ

দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলীয় উপকূল জেলা খুলনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বেশি পড়ে কয়রা উপজেলায় প্রতিবছর প্রকৃতি দুর্যোগ জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলা করে উপকূল জনপদের মানুষ বেচে থাকে। 

ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি, উত্তর বেদকাশি, কয়রা সদর, মহারাজ পুর, মহেশ্বরী পুর ইউনিয়নের প্রায় ১৫০ কিলোর বেশি ঝুঁকি পূর্ণ বেড়িবাঁধ রয়েছে ২০২২/২৩ অর্থ বছরে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়, কয়রা সদরের ৬নং কয়রা গ্রামের বেড়িবাঁধ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও উত্তর বেদকাশির পাথর খলি গ্রামের বেড়িবাঁধ ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তের প্রকল্পের আওতায় সংস্কার করা হয় তবে সেটিও অব্যবস্তাপনায় পড়ে আছে। 


এসব এলাকা ঘুরে দেখা গেছে চলমান থাকা বেড়িবাঁধের নিচ দিয়ে অবৈধ ভাবে পাইপ ঢুকিয়ে  কিছু অসাধু মৎস্য চাষি কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদী থেকে লবণ পানি উত্তোলন করছে। 


(গত ১৩ মে ২৬ইং) কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, খুলনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও খুলনা জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা'র মাধ্যমে এক মাইকিং করে সকল মৎস্য চাষি কে বেড়িবাঁধের নিচ থেকে নিজ দায়িত্বে পাইপ উচ্ছেদ করার কথা থাকলেও দুসপ্তাহর বেশি সময়  পার হলেও কোনো এক অজানা কারণে এখনো পাইপ উচ্ছেদ হয়নি। 


পাইপ উচ্ছেদের বিষয় কাটমারচর গ্রাম ও ৬ নং কয়রা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা দের সাথে আলাপ করলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন বেক্তি বলেন  প্রায় প্রতিবছর নদীর লবণ পানি উত্তোলন বন্ধের জন্য মাইকিং করা হয় মৎস্য চাষি বরাবর নোটিশ দেওয়া হয়। 

তবে কিছু দিন পার হওয়ার পারে কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় বর্তমানে বেশকিছু দিন আগে ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে মাইকিং করা হয় তবে তার কোনো কার্যক্রম দেখছিনা।

আমরা প্রতিনিয়ত আতংকে থাকি প্রকৃতি দুর্যোগ জলোচ্ছ্বাসে কখন জানি দূর্বল ঝুঁকি পূর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙে আমাদের ঘর-বাড়ি নদীর পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের দাবি টেকসই নিরাপদ উপকূলে নির্ভীকনে বসবাস করতে পারি।

বিষয়টি নিয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী কয়রা পানি উন্নয়ন শাখার কর্মকর্তা মোঃ সোলাইমান হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ঈদের ছুটি ছিলো বলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়নি আমরা খুব শিগগিরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো।

 কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন এটা চলমান প্রক্রিয়া কয়রার যেসব এলাকায় বেড়িবাঁধ নিচে যত অবৈধ অবৈধ পাইপ আছে সেটা উচ্ছেদ করা হবে। 

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন