পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজনে সাতটি গরু এবং দুইটি খাসি কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত মুসলিম ও অমুসলিম উভয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রীতিভোজ এবং ক্যাম্পাসের বিদেশি শিক্ষার্থী, কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী, দোকানি, মালিসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণের মাধ্যমে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন তারা। তবে, ক্যাম্পাসের হলগুলো খোলা রাখার বিষয়ে উপাচার্যকে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঈদের নামাজের পর আনন্দনগর, মদনডাঙ্গা, মধুপুর, সাকসেস কোচিং সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে কোরবানি কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা। এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় বাদ মাগরিব (সন্ধ্যা ৭টা ৩০) আয়োজিত প্রীতিভোজে অমুসলিমসহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
এ বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও আমরা সাতটি গরু এবং দুইটি ছাগল কোরবানির ব্যবস্থা করেছি। ক্যাম্পাসের আশেপাশে অনেক শিক্ষার্থী অবস্থান করছে, তাদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং ক্যাম্পাসের আশেপাশের প্রায় দুই হাজার পরিবারকে কোরবানির গোশত দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতি বছরের মতো এ বছরও ক্যাম্পাসের হলগুলো বন্ধ। হলগুলো খোলা থাকলে আরও চমৎকারভাবে, আরও বেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা যেত। সামনে যদি হল খোলা থাকে, তাহলে সে ব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ আমরা করব।”
ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, “এ বছর আমরা ৭টি গরু ও ২টি খাসি কুরবানি দিয়েছি; ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষদের কাছে বিতরণের জন্য। বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য ভোজের আয়োজন রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “হল বন্ধ থাকাতে অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে বাড়িতে গিয়েছে। হল খোলা থাকলে আরও অধিক শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা ঈদ উদযাপন করতে পারতাম।”