ছোটবেলা থেকে গরু প্রতি ভালোবাসা এবং আলাদা যত্ন। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি আর গরু নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করে আতিকুর রহমান। বড় হয়ে একদিন ’উদ্যোক্তা’ হবেন চোখেমুখে এমন স্বপ্ন লালন করেন। এবার নিজের হাতে লালন-পালন করা গরু কুরবানির হাটে নিতে পারায় আনন্দিত আতিকুর।
নতুন অভিজ্ঞতা নিতে কুষ্টিয়া থেকে ৬ টি গরু নিয়ে ঢাকায় (১০০ ফিট হাটে) ছুটে গেলেন আতিকুর। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের (২০২৩-২৪) শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার শাহাপুরে। তার খামারে ৭টি গরু। ব্যবসার উদ্দেশ্যে আরও কয়েকটি গরু কিনে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
আতিকুরের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পড়াশোনার প্রতি যত সময় ব্যয় করেছে তার দ্বিগুণ সময় দিয়েছে গরু লালন পালন করার পিছনে। তাদের প্রতি আলাদা একটা টান সৃষ্টি হয়েছে। বড় হয়ে উদ্যোক্তা হবেন তিনি।
আতিকুর রহমান জানান, ছোট বেলা থেকেই গরুর প্রতি ভালোবাসা রয়েছে। যে গরুগুলোকে নিয়ে এসেছি, আমার ক্যাম্পাস ও টিউশনি সময় বাদে লালনপালনে সময় দিয়েছি। গরুর সাথে খুবই একটা ভালো সখ্যতা তৈরি হয়ে গেছে। আমার মতে, “একবার যিনি গরুর প্রেমে পড়েছে, তার কাছে অন্যান্য সকল প্রেম হার মানতে বাধ্য।” মনের অজান্তেই আমি ওদেরকে (গরু) অনুভব করি। ভবিষ্যতে লেখাপড়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে এবং আমার কাছে সব থেকে ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে—আমার হাতের পালিত পশু শুধুমাত্র কোরবানির জন্যই বিক্রি করা হচ্ছে। প্রার্থনা করছি গুরুগুলো আল্লাহর দরবারে যেন কবুল হয়।
আইনে পড়াশোনা করেও উদ্যোক্তার বিষয়ে তিনি জানান, কোনো পেশাকেই ছোট করা যায় না। আইন পেশা একটা স্বাধীন পেশা, যেখান থেকে সহজেই উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব।