বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
সংবাদ প্রকাশের পর এবার সমাধানের পথ খুঁজছে হল প্রশাসন, ফের নোটিশ

সংবাদ প্রকাশের পর এবার সমাধানের পথ খুঁজছে হল প্রশাসন, ফের নোটিশ

মো. মিনহাজুর রহমান মাহিম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিট বরাদ্দে অসংগতি সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে হল প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৮ ও ২৯ এপ্রিল (২০২৬) পর পর দু’টি জরুরি নোটিশ জারি করেছেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী।

২৮ এপ্রিলে জারি করা প্রথম নোটিশে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল প্রকাশিত আবাসিক বৈধতার কক্ষ তালিকার ভিত্তিতে যদি কোনো শিক্ষার্থী বরাদ্দকৃত কক্ষে উঠতে সমস্যার মুখে পড়েন, তাহলে তাকে ধৈর্য ধারণ করে হল অফিসে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছু কক্ষের ত্রুটির কারণে পরিবর্তন আনা দরকার।

আজ (২৯ এপ্রিল) জারি করা দ্বিতীয় নোটিশে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নতুন আবাসিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়— কিছু কক্ষে সিট সংকটের কারণে জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের সিটে ওঠার অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার। তাদের মেধাক্রম অনুযায়ী সিট খালি থাকা সাপেক্ষে বরাদ্দকৃত কক্ষে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, হলের ফি পরিশোধ করে এবং তালিকায় নাম থাকার পরেও কক্ষে উঠতে পারছেন না তারা। দু’টি নোটিশ জারি হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান পাননি বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অন্যান্য হলে সিট পাইনি। আমরা দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে সিনিয়রদের প্রাধান্য দিয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষমান রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ভুলের কারণে ফাঁকা সিটগুলোতে এলট দেওয়া হয়নি। যেসব রুমে সিট ফাঁকা আছে, সেগুলোতে আমরা যাচাই-বাছাই করে সিট দেয়ার জন্য কাজ করছি।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল চূড়ান্ত সিট বরাদ্দের তালিকা প্রকাশের পর হলের বিভিন্ন কক্ষে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র সামনে আসে। একদিকে একাধিক কক্ষে সিট ফাঁকা থাকলেও অ্যালটমেন্ট দেওয়া হয়নি, অন্যদিকে সিট না থাকলেও নতুন অ্যালটমেন্ট দেওয়া হয়েছে। কোনো কক্ষে আগে থেকে বসবাসরত শিক্ষার্থীর পাশে নতুন বরাদ্দ, কোনো কক্ষে অ্যালটমেন্ট ছাড়াই অবৈধ অবস্থান এবং রিনিউয়ের পর তালিকা থেকে শিক্ষার্থীর নাম উধাও হওয়ার মতো অভিযোগও উঠেছে। এশিয়া পোস্টে “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বরাদ্দ পেয়েও সিট পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে মোট ২৮টি কক্ষে অসংগতির তথ্য ওঠে এসেছে।

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন