সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় খাদুলী গ্রামে প্রায় ৮২ হাত বাইচের নতুন পানসি নৌকা বানানো ( তৈরী ) হচ্ছে। এর পেছনে সব মিলিয়ে প্রায় দশ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়। খাদুলী গ্রামের মো. আমিরুল ইসলাম ও মো. আঃ হামিদ বাইচের নৌকা বানানোর মূলে ও টাকা খরচ করছেন। তবে গ্রামের আরো কয়েকজন নৌকাটি বানানোয় কম বেশি টাকার যোগান দেবেন বলে জানানো হয়।
উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের খাদুলী গ্রামের মো. আঃ হামিদ সাব ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত বলে জানানো হয়। আর একই গ্রামের মো. আমিরুল ইসলাম কৃষি পেশার পাশাপাশি এসকেভেটর মেশিন নিয়ে ব্যবসা করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে খাদুলী গ্রামের উত্তরপাড়ায় খোলা মাঠে নতুন বাইচের নৌকাটি বানানোর কাজ করা হচ্ছে। উপরে লাল রংয়ের বিশাল ত্রিপল টানিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদককে মো. আমিরুল ইসলাম বলেন দিনাজপুর থেকে নৌকার জন্য প্রায় দুই লাখ টাকার শাল কাঠ কিনে আনা হয়েছে। সে কাঠ দিয়ে নৌকা বানানো হচ্ছে।
পাবনার সাথিয়ার সুকুমার সুত্রধর বলেন তার সাথে সহযোগী চারজন প্রায় ৮২ হাত নৌকাটি বানানোর কাজ করছেন। প্রায় ৭৫ জন ব্যাক্তি বাইজাল হয়ে নৌকাটিতে থাকবেন বলে জানানো হয় । বাইচকালে এরা বৈঠা মেরে নৌকা টানবেন। নৌকাটি বানানোয় মজুরি বাবদ প্রায় দুই লাখ টাকা মিটিয়ে নিয়েছেন বলে জানানো হয়। খাদুলী গ্রামের আবু সাঈদ বলেন তিনি সময় পেলেই দিনে কয়েকবার নৌকাটি বানানো দেখতে আসেন। শেষ বিকেল থেকে বেশ রাত অবধি গ্রামের বহু লোক এখানে নৌকা বানানো দেখে সময় কাটান।
আলাপ আলোচনাকালে মো. আমিরুল ইসলাম আরো বলেন নৌকাটি বানানোর সাথে গ্রামের আরো কয়েকজন জড়িত আছেন। এরা হলেন - মো. বাবু , মো. সাদ্দাম , আবু সাঈদ। তিনি ও আঃ হামিদ মনের শখ মেটাতে বাইচের নৌকাটি বানাচ্ছেন। তার দাদা আকতার আকন্দের বাইচের নৌকা ছিলো। খাদুলী গ্রামের লোকজন মিলিতভাবে বাইচের নৌকাটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় নৌকা বাইচে যাবেন বলে জানানো হয়।