সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
শিশু অসুস্থের পর ফাঁস: বাউফলে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ ও হুমকির অভিযোগ,

শিশু অসুস্থের পর ফাঁস: বাউফলে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ ও হুমকির অভিযোগ,

মো. রাকিব সিকদার

পটুয়াখালী  একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়েফার বিস্কুট সরবরাহ এবং বিষয়টি ধরা পড়লে ঘটনা গোপন রাখতে ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ‘পিলো’ নামের ওই ওয়েফার বিস্কুট একটি স্বনামধন্য শিল্পগোষ্ঠীর পণ্য। কোম্পানির স্থানীয় ডিলার হিসেবে নওমালা ইউনিয়নের বাসিন্দা তসলিম কাজ করেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সোহানুর রহমান জানান, তিনি বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার দোকানের অধিকাংশ ক্রেতাই স্কুলের শিক্ষার্থী। গত সপ্তাহে কোম্পানির এক বিতরণ প্রতিনিধি তার দোকানে বিস্কুট সরবরাহ করেন। নামিদামি প্রতিষ্ঠানের পণ্য হওয়ায় এবং ব্যস্ততার কারণে তিনি মেয়াদ যাচাই করেননি।

পরবর্তীতে ওই বিস্কুট খেয়ে এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি তার নজরে আসে। এরপর পণ্যের মেয়াদ পরীক্ষা করে তিনি দেখেন, সরবরাহকৃত বিস্কুটগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিতরণ প্রতিনিধিকে জানালে তিনি ঘটনা গোপন রাখতে চাপ দেন এবং হুমকি দেন। বিষয়টি প্রকাশ পেলে ভবিষ্যতে কোনো কোম্পানি তাকে পণ্য দেবে না এবং তার ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও ভয়ভীতি দেখানো হয়।

এদিকে বিস্কুট খেয়ে অসুস্থ হওয়া শিশুটির দাদা দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত বিতরণ প্রতিনিধি সুজন হোসেন বলেন, “সম্ভবত ভুলবশত গুদাম থেকে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ভালো পণ্যের সঙ্গে মিশে গিয়ে দোকানে সরবরাহ হয়েছে।” তবে হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমি কাউকে কোনো ধরনের হুমকি দেইনি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় ডিলার তসলিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন